খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (সংক্ষেপে: কুয়েট) বাংলাদেশের একটি সরকারি প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়। এটি বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের খুলনা বিভাগের খুলনা জেলায় অবস্থিত। পূর্বে এর নাম ছিল বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব টেকনোলজি, খুলনা ও তারও আগে, খুলনা প্রকৌশল মহাবিদ্যালয়। এটি বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অন্যতম। এখানে প্রায় ৬ হাজার জন ছাত্রছাত্রী স্নাতক ও স্নাতকোত্তর প্রকৌশল ও বিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনা করছে। এখানকার শিক্ষক সংখ্যা ৫৫৭-এরও অধিক। এছাড়া ১৩২ জন কর্মকর্তা ও ৪২৫ জন কর্মচারী আছে। বিশ্ববিদ্যালয়টির অঙ্গন সম্প্রসারণে নতুন কিছু ভবন তৈরি করা হয়েছে যেমন- একাডেমিক ভবন, অডিটোরিয়াম কমপ্লেক্স, ছাত্রাবাস, গ্রন্থাগার, শিক্ষক ডরমিটরি ভবন ইত্যাদি এবং আরও কিছু ভবনের নির্মাণ কাজ চলছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস খুলনা শহর থেকে ১৪ কি.মি. উত্তরে, খুলনা-যশোর মহাসড়কের পাশে ফুলবাড়ীগেটে অবস্থিত।
প্রাক্তন নামসমূহ |
|
|---|---|
| নীতিবাক্য | প্রভু! আমায় জ্ঞান দাও |
| ধরন | সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় |
| স্থাপিত | ১৯৬৭, বিশ্ববিদ্যালয় হিসাবে ২০০৩ |
| আচার্য | রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ |
| উপাচার্য | অধ্যাপক ড. মিহির রঞ্জন হালদার |
শিক্ষায়তনিক ব্যক্তিবর্গ | ৩৫৬ |
প্রশাসনিক ব্যক্তিবর্গ | ৫৫৭ |
| শিক্ষার্থী | ৫৯৩৪ |
| স্নাতক | ৪৮৩৮ |
| স্নাতকোত্তর | ১১০০ |
| ৮৪ | |
| অবস্থান | , |
| শিক্ষাঙ্গন | ১১৭.৩৫ একর [১] |
| সংক্ষিপ্ত নাম | কুয়েট (KUET) |
| অধিভুক্তি | বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন |
| ওয়েবসাইট | kuet |
খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের তৃতীয় বৃহত্তম বিভাগীয় শহর খুলনার উত্তর-পশ্চিম অঞ্চলের ফুলবাড়িগেটে অবস্থিত।
ক্যাম্পাস খুলনা সিটির জিরো পয়েন্ট থেকে ৮ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। ক্যাম্পাস থেকে শহরের যোগাযোগ ব্যবস্থা খুব ভালো । এটা জিলা বাস টার্মিনাল হতে ১২ কিলোমিটার দূরে এবং খুলনা রেলওয়ে হতে ১০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। এটা ১০১ একর জায়গার উপরে অবস্থিত ।[৪]
মূল একাডেমিক ভবনে বিভিন্ন শিক্ষা ও গবেষণা সুবিধা আছে। প্রত্যেক বিভাগের একটি আলাদা চত্বর আছে। এরকম আলাদা কতগুলো চত্বর মিলে ক্যাম্পাসের মূল একাডেমিক চত্বরটি গঠিত। হেভি প্রকৌশল ল্যাবরেটরি নিচের তলা বা অন্য পৃথক ওয়ার্কশপ এর মধ্যে অবস্থিত আছে যদিও লাইট ল্যাবরেটরিজ, শ্রেণী এবং প্রকল্প কক্ষ উপরের তলার উপর অবস্থিত। ল্যাবরেটরির শিক্ষকদের জন্য আলাদা অফিস আছে। বেশি সময়ের লেকচারের জন্য প্রতিটা বিভাগে আধুনিক মালপত্র এবং সাউন্ডের জন্য উপকরণ সংবলিত সেমিনার রুম আছে। ক্যাম্পাসে এছাড়াও শিক্ষক ও কর্মচারী ক্লাব, মেডিকেল সেন্টার, ডিপার্টমেন্টাল স্টোর, এটিএম বুথ, পোস্ট অফিস, ব্যাংক এবং খেলার মাঠ ইত্যাদি সুবিধা আছে। ছাত্র কল্যাণ কমিটি ছাত্রদের মানসিক ও শারীরিক উন্নয়নের জন্য অতিরিক্ত পাঠক্রম সংক্রান্ত সুবিধা দান করে।[৫]
কুয়েটে ৩টি অনুষদের অধীনে মোট ২০টি বিভাগ আছে।[৮] এর মাঝে ১৬ টি বিভাগ থেকে স্নাতক ডিগ্রি প্রদান করা হয়।